সাইটটি পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে । বর্তমানে সাইটের সকল ফিচার ও অনলাইন সেবা পরীক্ষামূলকভাবে চালু রয়েছে ।
জেলা নির্বাচন করুন
—
এই জেলার সক্রিয় এনজিও
উপকারভোগীর সারসংক্ষেপ
Sep 6, 2026 · 11:52
Sep 8, 2026 · 6:04
Sep 9, 2026 · 13:19
নিবন্ধন আবেদনের নির্দেশনা
নিবন্ধন আবেদনের ব্যবহারকারী নির্দেশিকা (এফডি-১)
নতুন এনজিও নিবন্ধনের ধাপে ধাপে নির্দেশনা
বিস্তারিত ›
নিবন্ধন নবায়নের আবেদনের নির্দেশনা
নিবন্ধন নবায়নের ব্যবহারকারী নির্দেশিকা (এফডি-৮)
অনলাইন আবেদনের সম্পূর্ণ গাইড
বিস্তারিত ›
প্রকল্প প্রস্তাব ফরমের নির্দেশনা (এফডি -৬)
প্রকল্প প্রস্তাব ফরমের ব্যবহারকারী নির্দেশিকা (এফডি -৬)
অনলাইন আবেদনের সম্পূর্ণ গাইড
বিস্তারিত ›
প্রকল্প প্রস্তাব ফরমের নির্দেশনা (এফডি-৭)
দুর্যোগকালীন ও দুর্যোগ পরবর্তী জরুরি ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম আবেদনের ব্যবহারকারী নির্দেশিকা (এফডি-৭)
অনলাইন আবেদনের সম্পূর্ণ গাইড
বিস্তারিত ›
বিদেশি নাগরিক নিয়োগপত্র সত্যায়নের আবেদনের নির্দেশনা
বিদেশি নাগরিক নিয়োগপত্র সত্যায়নের আবেদনের ব্যবহারকারী নির্দেশিকা (এফডি-৯)
অনলাইন আবেদনের সম্পূর্ণ গাইড
বিস্তারিত ›নির্ধারিত পদ্ধতিতে ফি দিয়ে মহাপরিচালকের কাছে এফডি-১ ফরমে আবেদন করতে হবে। আবেদনে অনুদানের উৎস ও পরিমাণের প্রমাণ এবং তহবিল ব্যবহারের পরিকল্পনা থাকতে হবে। আবেদনটি সঠিক মনে হলে মহাপরিচালক তা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের মতামতের জন্য পাঠাবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো মতামত না দিলে মহাপরিচালক আপনার আবেদনের ভিত্তিতে সনদ ইস্যু করতে পারেন। এতে অযথা বিলম্বের কারণে আবেদন আটকে থাকার বিষয়টি এড়ানো যায়।
নিবন্ধন ও নবায়ন সনদের মেয়াদ সনদে উল্লেখিত তারিখ থেকে ১০ (দশ) বছর। সনদের মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬ (ছয়) মাস আগে নির্ধারিত ফি দিয়ে নবায়নের জন্য আবেদন করতে হবে (এফডি-৮ ব্যবহার করুন)। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করলে সনদের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও মহাপরিচালক আবেদনটি নিষ্পত্তি না করা পর্যন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবেন। নবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় বিগত ৫ (পাঁচ) বছরের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হবে।
সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, ব্যুরোর প্রকল্প অনুমোদন ছাড়া কোনো এনজিও বৈদেশিক অনুদান গ্রহণ করতে পারবে না। এর জন্য প্রকল্প প্রস্তাব ফরম (এফডি-৬) ব্যবহার করতে হবে। তবে কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে। বছরে ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অনুদানের ক্ষেত্রে প্রকল্প অনুমোদনের প্রয়োজন নেই। তবে শর্ত হলো, সব কার্যক্রম ও কার্যক্রমের এলাকা সম্পর্কে ব্যুরোকে আগে জানাতে হবে এবং প্রকল্প শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যুরোর তালিকাভুক্ত অডিট ফার্মের নিরীক্ষা প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। একই প্রকল্পের অপরিবর্তিত এলাকায় পরবর্তী পর্যায়ের কার্যক্রমের জন্য বা বিদেশি এনজিওর প্রশাসনিক ব্যয়ের প্রকল্পের ক্ষেত্রে নতুন করে মন্ত্রণালয়ের মতামত নেওয়ার প্রয়োজন নেই।
নতুন ৩ক দফা অনুযায়ী, এটি এমন একটি অনুদান, যা কোনো দাতা প্রকল্প সহায়তার বাইরে বা আলাদাভাবে কোনো এনজিওকে প্রদান করে। ব্যুরোর অনুমোদন নিয়ে এই অনুদান স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। এর মাধ্যমে কোর বা ওভারহেড তহবিলকে একটি পৃথক ও অনুমোদনযোগ্য তহবিল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, সব ধরনের ব্যয় প্রকল্পের বাজেটের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা বাধ্যতামূলক নয়। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত শর্ত বিধিমালার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।
না, স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রমের জন্য বৈদেশিক অনুদান গ্রহণকারী ব্যক্তির নিবন্ধনের প্রয়োজন নেই। তবে এ জন্য ব্যুরোর অনুমোদন নিতে হবে। অন্যদিকে, কোনো সংস্থা বা এনজিও ব্যুরোর নিবন্ধন ছাড়া বৈদেশিক অনুদান গ্রহণ বা স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না।
হ্যাঁ। কোনো প্রকল্পের অনুমোদিত মোট ব্যয়ের ২০ (বিশ) শতাংশের বেশি প্রশাসনিক খাতে ব্যয় করা যাবে না। এফডি-৬ ফরমে মোট প্রকল্প ব্যয়ের সঙ্গে প্রশাসনিক ব্যয়ের অনুপাত উল্লেখ করতে হয়। তাই শুরু থেকেই এই সীমার মধ্যে রেখে বাজেট তৈরি করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মতামত না দিলে মহাপরিচালক প্রস্তাবটি অনুমোদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে অন্য কোনো সংস্থার ছাড়পত্রের প্রয়োজন হবে না। মহাপরিচালক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রস্তাব সংশোধনের পরামর্শও দিতে পারেন। তবে এসব সংশোধন প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারবে না। মহাপরিচালক কোনো মন্ত্রণালয়ের মতামত অপ্রয়োজনীয় বা গ্রহণযোগ্য নয় বলে মনে করলে বিষয়টি নির্দেশনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর বা প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে পাঠানো হবে।
প্রকল্প প্রস্তাব ও বাজেটের জন্য এফডি-৬, তহবিল ব্যবহারের আবেদনের জন্য এফডি-২, এককালীন বৈদেশিক অনুদানের জন্য এফসি-১, বিগত বছরে প্রাপ্ত তহবিলের বিবরণের জন্য এফডি-৩ এবং অনুদান নগদ অর্থের পরিবর্তে পণ্য আকারে এলে এফডি-৫ ফরম ব্যবহার করতে হবে। এফডি-৬, এফসি-১ এবং তহবিল সংক্রান্ত ফরমে দাতাকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের (ইউএনএসসি) মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞার তালিকার সঙ্গে যাচাই করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। এই যাচাইকে শুধু আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে না দেখে নিয়মিতভাবে পালন করতে হবে।
নিয়োগ বা মেয়াদ বাড়ানোর জন্য নিরাপত্তা ছাড়পত্র পেতে মহাপরিচালকের কাছে এফডি-৯ ফরমে আবেদন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রকল্প প্রস্তাবে অনুমোদিত পার্সন-মান্থের সীমার মধ্যে থাকতে হবে। মহাপরিচালক প্রাথমিক যাচাই শেষে মতামতের জন্য আবেদনটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠাবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো মতামত না দিলে মহাপরিচালক লিখিত কারণ উল্লেখ করে আবেদনটি অনুমোদন করতে পারেন। অনুমোদিত মেয়াদের জন্য আলাদাভাবে এফডি-৯/১ ফরমে ওয়ার্ক পারমিটের আবেদন করতে হবে।
নতুন ৮ক ধারা অনুযায়ী, প্রকল্পে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি অনুমোদিত প্রকল্পের তহবিল ব্যবহার করে প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কাজে বিদেশ ভ্রমণ করলে এনজিওকে সেই ভ্রমণের বিবরণ বার্ষিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করতে হবে। এটি আগে থেকে অনুমতি নেওয়ার কোনো ধাপ নয়; বরং এটি একটি প্রতিবেদন দাখিলের দায়িত্ব। তাই বার্ষিক প্রতিবেদন সঠিক রাখতে ভ্রমণের তথ্য সঙ্গে সঙ্গে নথিভুক্ত করে রাখতে হবে।
প্রকল্পের হিসাব সনদপ্রাপ্ত চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (সিএ) দ্বারা এফডি-৪ ফরমে প্রত্যয়িত হবে এবং সিএ ফার্মের প্রতিবেদন এফডি-৪/১ ফরমে জমা করতে হবে, যা বিধি ১৫ অনুযায়ী প্রযোজ্য। ৫০ লক্ষ টাকার অনুমোদন ছাড়া অনুদান গ্রহণের পদ্ধতির ক্ষেত্রে ব্যুরোর তালিকাভুক্ত ফার্মের মাধ্যমে নিরীক্ষা করানো বাধ্যতামূলক। এই নিরীক্ষা ওই সুবিধা পাওয়ার একটি শর্ত, ঐচ্ছিক বিষয় নয়। এফডি-৪ ফরমের তথ্য ও হিসাব এফডি-৮/৮ক ফরমে উল্লেখিত অনুমোদিত বাজেটের সঙ্গে মিলিয়ে রাখতে হবে।
দুর্যোগের সময় বা দুর্যোগের পর জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কোনো এনজিও বা ব্যক্তি আবেদন করলে এবং আবেদনটি যথাযথ মনে হলে মহাপরিচালক ৭২ (বাহাত্তর) ঘণ্টার মধ্যে প্রকল্প অনুমোদনসহ বৈদেশিক অনুদান ছাড়ের আদেশ দিতে পারেন। এ ধরনের জরুরি ত্রাণ কার্যক্রমের জন্য জরুরি ত্রাণ প্রকল্প প্রস্তাব ফরম (এফডি-৭) ব্যবহার করতে হবে।
হ্যাঁ। ১৭ ধারায় উল্লেখিত কয়েকটি “৩০ কার্যদিবস” সময়সীমা পরিবর্তন করে “৪৫ দিন” করা হয়েছে। এছাড়া একটি “১৫ কার্যদিবস” সময়সীমা পরিবর্তন করে “১৫ দিন” করা হয়েছে এবং অন্য কিছু ক্ষেত্রে “কার্যদিবস” এর পরিবর্তে শুধু “দিন” উল্লেখ করা হয়েছে। কার্যদিবসের পরিবর্তে পঞ্জিকা-দিবস ব্যবহারের কারণে সময়সীমা গণনার ক্ষেত্রে গূরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হয়েছে। তাই সময় পরিকল্পনা করার সময় শুধু অফিসের কার্যদিবস নয়, ক্যালেন্ডারের প্রতিটি দিন হিসাব করতে হবে।